প্রতিনিয়ত দেহে ঢুকছে প্লাস্টিক!

ঘরের ভিতরে ভেসে বেড়ানো ধূলিকণাতেও মিশে রয়েছে প্লাস্টিকআজকাল সব কিছুতেই ব্যবহৃত হয়ে থাকে প্লাস্টিক। বাতাসে প্লাস্টিক, খাবারে প্লাস্টিক, এমনকি পানিতেও প্লাস্টিক।

প্রতিনিয়ত সকল কাজের সাথে প্লাস্টিক এর সম্পর্ক থাকায় প্রতিদিন মানুষের ভিতরে প্লাস্টিক কণা ঢুকে বিষিয়ে দিচ্ছে শরীর।

বিজ্ঞানীরা এত দিন পরিবেশের উপরে প্লাস্টিক দূষণের প্রভাব নিয়ে চিন্তায় ছিলেন। তবে নতুন এক গবেষণায় এবার উঠে এল পানি, খাবার ও বায়ু বাহিত হয়ে মানুষের দেহে নিত্য ঢুকছে প্লাস্টিক। যা অনেক সময়ে আটকে থাকছে শরীরের ভিতরেই। মানব-বর্জ্যেও মিলেছে প্লাস্টিকের নমুনা।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, লবন থেকে মধু, চিনি, কীটনাশক, বোতলবন্দি পানি বা কলের পানি- দৈনন্দিন জীবনে মানুষকে যা যা ব্যবহার করতে হয়, তার কোনওটিই প্লাস্টিকমুক্ত নয়। এমনকি ঘরের ভিতরে ভেসে বেড়ানো ধূলিকণাতেও মিশে রয়েছে প্লাস্টিক। যা শরীরে প্রবেশ করে তৈরি হতে পারে বিষাক্ত রাসায়নিক।

এই নিয়েই সম্প্রতি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি অব ভিয়েনার এক দল গবেষক। তাঁদেরই এক জন বলছেন, ‘আমাদের বহু দিন ধরেই আশঙ্কা ছিল, প্লাস্টিক শরীরে ঢুকলে শেষমেশ তা অন্ত্র পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে। অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিকের কণা মিশে যেতে পারে রক্ত প্রবাহের সঙ্গেও। যাযকৃতেও পৌঁছে যেতে পারে।

মাইক্রো প্লাস্টিক যে মানুষের শরীরে ঢুকছে তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। কারণ, মানুষের বর্জ্যেই তার নমুনা মিলেছে।

গবেষকণায় অংশগ্রহণকারীদের বর্জের নমুনা পরীক্ষা করে কয়েকশো মাইক্রো প্লাস্টিকের টুকরো মিলেছে। সবচেয়ে বেশি মাত্রায় পাওয়া গিয়েছে যে দু’ধরনের প্লাস্টিক কণা যেগুলি মূলত খাবার ও পানীয়ের মোড়কে পাওয়া যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top
%d bloggers like this: