in

এন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি: আমাদের মহাজাগতিক প্রতিবেশী।

আকাশের বিশালত্ব উপলব্ধি করে আমরা অবাক হই। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, এই আকাশ হচ্ছে সৌরজগতের একটা ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। আবার সৌরজগত হল গ্যালাক্সির একটা ক্ষুদ্র অংশ। এমন অনেকগুলো গ্যালাক্সি নিয়ে আমাদের মহাবিশ্ব গঠিত। আমরা যে গ্যালাক্সিতে বাস করি, তার নাম Milky Way Galaxy.

আমাদের নিকটতম গ্যালাক্সিটি হলো এন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি (Andromeda Galaxy) তিনি আমাদের মহাজাগতিক প্রতিবেশী। এই ছায়াপথটির নাম পৌরাণিক রাজকুমারী এন্ড্রোমিডার নাম অনুসারে রাখা হয়। অ্যান্ড্রোমিডা ছায়াপথ হল স্থানীয় ছায়াপথ সমুহের সবচেয়ে বড় ছায়াপথ যার প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের আকাশগঙ্গা, ট্রায়ান্গুলাম ছায়াপথ সহ আরো অনেক ছোট ছায়াপথ রয়েছে। আসুন এই গ্যালাক্সি সম্পর্কে জানা যাক!

যেভাবে আবিস্কৃত হয়েছিল ‘‘এন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি’’

১৭৮১ সালের শুরুর দিকে চার্লস মেসিয়ের নামে একজন ফরাসী জ্যোতির্বিদ ও ধূমকেতু পর্যবেক্ষক ছিলেন। তিনি ১০৩টি নাক্ষত্রিক বস্তুর তালিকা করেন যেন অন্যান্য ধূমকেতু পর্যবেক্ষকরা এদেরকে ধূমকেতু বলে ভুল না করে। কারণ, ধূমকেতু যখন সূর্যের কাছাকাছি থাকে তখন তার লম্বা লেজ বা পুচ্ছ দৃশ্যমান থাকে। ফলে তাদেরকে চেনা যায় সহজে। সূর্য থেকে দূরে অবস্থান করলে লেজ বিলুপ্ত হয়ে যায়। ফলে কোনো কোনো পর্যবেক্ষক তাদেরকে ভুলভাবে নক্ষত্র বলে ধরে নেয়। তৎকালীন সময়ে উন্নত যন্ত্রপাতির সাহায্য ছাড়াই তিনি এমন চমৎকার কাজ করে ফেলেছিলেন। পরবর্তীতে উইলিয়াম হার্শেল, জন হার্শেল, লুই ড্রেয়ার প্রভৃতি বিজ্ঞানীরা এই তালিকার উন্নয়ন করেন।

মেসিয়েরের তালিকার অনেকগুলো বস্তু ছিল আমাদের গ্যালাক্সি মিল্কি ওয়ের ভেতরের। তবে মেসিয়েরের তালিকার অনেক বস্তুই ছিল মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির বাইরের। তাদের মাঝে একটি হলো এন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি। পরিস্কার আকাশে খালি চোখেই একে দেখা যায়। দেখতে অনেকটা অস্পষ্ট কুয়াশাচ্ছন্ন বস্তু বলে মনে হয় একে। ৯৬৪ সালে পারস্যের জ্যোতির্বিদ আব্দুর রহমান আল-সুফি তার একটি বইয়ে এর কথা উল্লেখ করেন। বইতে একে ‘একটি ক্ষুদ্র মেঘ’ বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। বইয়ের নাম কিতাব সুয়ার আল কাওয়াকিব (Book of Fixed Stars)। পরে জানা যায়, এই মেঘটি আমাদের গ্যালাক্সির মতোই আরেকটি গ্যালাক্সি এবং আকৃতির দিক থেকেও এটি আমাদের মিল্কিওয়ের মতোই সর্পিল। আমাদের গ্যালাক্সির সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশীও এটিই।

মেসিয়ের, হার্শেল ও ড্রেয়ার কর্তৃক তৈরিকৃত নেব্যুলির প্রকৃতি সম্বন্ধে ঊনবিংশ শতকের শেষদিকে এবং বিংশ শতকের শুরুর দিকে বড় ধরনের বিতর্ক বিদ্যমান ছিল। কেউ কেউ মনে করতো, তাদের তালিকার নাক্ষত্রিক বস্তুর সবগুলোই আমাদের গ্যালাক্সিতে অবস্থিত, অন্যদিকে কেউ কেউ মনে করতো, তালিকার কোনো কোনো বস্তুর অবস্থান আমাদের গ্যালাক্সির বাইরে। ১৭৫৫ সালের দিকে জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট বলেছিলেন, কোনো কোনো গ্যালাক্সির অবস্থান অবশ্যই আমাদের আমাদের গ্যালাক্সির বাইরে। তিনি আরো বলেছিলেন, এসব নেব্যুলির কোনো কোনোটির আকৃতি বৃত্তাকার ডিস্কের মতো। অনেক দূরে অবস্থান করে বলে তাদেরকে অনুজ্জ্বল দেখায়।

১৯২০ ও ১৯৩০ সালের মাঝামাঝিতে আমেরিকান জ্যোতির্বিদ এডউইন পাওয়েল হাবল (১৮৮৯ – ১৯৫৩) এর মাধ্যমে এই বিতর্কের অবসান ঘটে। তিনি প্রমাণ করেছিলেন, অধিকাংশ নেব্যুলির অবস্থানই আমাদের গ্যালাক্সির বাইরে। তিনি এমন অকাট্যভাবে তা প্রমাণ করেছিলেন যে, তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলার বা কোনো বিতর্ক তৈরি করার কোনো অবকাশ থাকেনি। তার মাধ্যমে মানুষের মনে মহাবিশ্ব সম্পর্কে বিস্তৃত একটি ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি যুগান্তকারী এই প্রমাণটি করেছিলেন নেব্যুলির লাল সরণ (Red Shift) পরিমাপ করে।

এ সময়কালে যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলেস শহরের কাছে মাউন্ট উইলসনে একটি ১০০ ইঞ্চি টেলিস্কোপের নির্মাণ সম্পন্ন হয়। বিজ্ঞানী এডউইন হাবল ঐ সময় এটিকে ব্যবহার করার সুযোগ পান। শক্তিশালী এই টেলিস্কোপটি ব্যবহারের মাধ্যমেই তিনি প্রথমবারের মতো এন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সির প্রকৃতি উদ্ঘাটন করেন। এই গ্যালাক্সিটিতে তিনি একটি সর্পিল আকৃতি খুঁজে পান। উল্লেখ্য, আমাদের নিজেদের গ্যালাক্সি যে তা তখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এন্ড্রোমিডার সর্পিল গঠনের অংশগুলোতে তিনি কিছু বিষম তারার দেখা পান। কিছু কিছু তারা আছে যাদের উজ্জ্বলতা একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর নিয়মিতভাবে পরিবর্তিত হয়। এ ধরনের তারাকে বলা হয় বিষম তারা বা Variable Star। এরকম তারা অবশ্য আমাদের গ্যালাক্সিতে আরো আগেই আবিস্কৃত হয়েছিল। এদেরকে সেফিড ভ্যারিয়েবল (Cepheid Variable) নামে ডাকা হতো। এদের মধ্যে বিশেষ কয়েকটিকে বলা হতো ডেলটা সেফাই (Delta Cephei)।

হেনরিয়েটা সোয়ান লেভিট এবং হার্লো শেপলি নামের দুজন আমেরিকান জ্যোতির্বিদ সেফিড তারার প্রকৃত উজ্জ্বলতা ও দৃশ্যমান উজ্জ্বলতার চক্রের মাঝে পারস্পরিক একটি সম্পর্ক খুঁজে পান। প্রকৃত উজ্জ্বলতা বা Intrinsic Brightness হলো সেফিড তারার মূল উজ্জ্বলতা। বিজ্ঞানের ভাষায় প্রকৃত উজ্জ্বলতাকে ‘এবসলিউট লুমিনোসিটি’ বলেও ডাকা হয়। কোনো একটি নাক্ষত্রিক বস্তু সকল দিকে যে পরিমাণ আলো বিকিরণ করে, তাকে বলা হয় এবসলিউট লুমিনোসিটি। কিছু কারণবশত আমাদের চোখে এসব তারার মূল উজ্জ্বলতা ধরা দেয় না। এ ধরনের নাক্ষত্রিক বস্তু আমাদের চোখে আপেক্ষিকভাবে যে পরিমাণ উজ্জ্বল বলে প্রতীয়মান হয়, তাকে বলে ‘এপারেন্ট লুমিনোসিটি’। টেলিস্কোপের প্রতি একক ক্ষেত্রফলে নক্ষত্র থেকে যে পরিমাণ আলো এসে আপতিত হয়, তাকে বলে এপারেন্ট লুমিনোসিটি বা দৃশ্যমান উজ্জ্বলতা।

এখন কেউ যদি কোনো মহাজাগতিক বস্তুর দৃশ্যমান উজ্জ্বলতা এবং প্রকৃত উজ্জ্বলতা সম্পর্কে জানে, তাহলে সেখান থেকে বস্তুটির দূরত্বও নির্ণয় করতে পারবে। কারণ, দৃশ্যমান উজ্জ্বলতা কত হবে তা নির্ভর করে দূরত্বের উপর। বস্তুর দূরত্ব যত বেশি হবে তার উজ্জ্বলতা তত কম হবে। এই পদ্ধতি ব্যবহার করে হাবল সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলেন যে, এন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি ৯ লক্ষ আলোক বর্ষ দূরে অবস্থিত। এত বেশি পরিমাণ দূরত্বে থাকলে তার অবস্থান অবশ্যই আমাদের গ্যালাক্সির বাইরে হবে। কেননা আমাদের সবচেয়ে দূরে যে বস্তুটি অবস্থিত, তার চেয়ে প্রায় ১০ গুণ দূরে অবস্থিত এটি। উল্লেখ্য আমাদের গ্যালাক্সির বিস্তৃত ৮০ হাজার থেকে ১ লক্ষ আলোক বর্ষ।

পরবর্তীতে বিংশ শতাব্দীর চল্লিশের দশকের শেষ দিকে এবং পঞ্চাশের দশকের শুরুর দিকে জার্মান বংশোদ্ভূত আমেরিকান জ্যোতির্বিদ ওয়াল্টার বেইড (১৮৯৩ – ১৯৫০) এবং অন্যান্য বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন, এ ধরনের বিষম তারা আসলে দু’প্রকার। এরা দু’ধরনের নিয়মনীতি মেনে চলে। লেভিট-শেপলি সম্পর্কের আওতার বাইরেও অনেক বিষম তারা আছে। যদিও এই সম্পর্কের মাধ্যমেই এন্ড্রোমিডার দূরত্ব পরিমাপ করেছিলেন এডউইন হাবল, কিন্তু তার পর্যবেক্ষণকৃত বিষম তারা এবং লেভিট কর্তৃক পর্যবেক্ষণকৃত বিষম তারার প্রকৃতি আসলে এক নয়। হাবল এক্ষেত্রে পর্যায়কাল ও উজ্জ্বলতার ভুল সম্পর্ক ব্যবহার করেছিলেন, যার জন্য তার হিসেবেও ভুল ফলাফল এসেছে। পরবর্তীতে জানা যায়, এন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সির প্রকৃত দূরত্ব প্রায় ২.৫ মিলিয়ন আলোক বর্ষ, যেখানে হাবল বলেছিলেন, এই দূরত্ব ৯ লক্ষ আলোক বর্ষ। তবে হিসেবে ভুল হলেও হাবলের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল, এন্ড্রোমিডা নেব্যুলা আমাদের গ্যালাক্সির বাইরে অবস্থিত।

‘‘এন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি’’র নামকরণ ও বৃত্তান্তঃ

পৃথিবী থেকে আনুমানিক ২.৫ মিলিয়ান আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত আমাদের নিকটতম গ্যালাক্সি হল Andromeda Galaxy [এন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি] মিল্কিওয়ের মত এটাও সর্পিলাকার বা Spiral আকৃতির গ্যালাক্সি। চাঁদহীন আকাশে খালিচোখে গ্যালাক্সিটির নিউক্লিয়াস তথা কেন্দ্রের অংশটুকু পৃথিবী থেকে দেখা যায়। সাধারণত এটি দেখতে চাঁদের মতই, কিন্তু ঝাপসা এবং চাঁদের তুলনায় ৫ গুন বড় মনে হয়। গ্রীক পুরাণে বর্ণিত ইথিওপিয়ার রাণী এন্ড্রোমিডার নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে। এন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সির
অন্য নামগুলো হল, NGC-224 এবং M-31 জ্যোতির্বিজ্ঞানী চার্লস মেসিয়ারের নাম অনুসারে এন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সিকে মেসিয়ার-৩১ নামেডাকা হয়। এন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সির কেন্দ্র বা নিউক্লিয়াস কিছু ঘনীভূত পদার্থ দিয়ে তৈরি। কেন্দ্রটিকে ঘিরে রেখেছে গ্যাস, ধুলা এবং নক্ষত্র দিয়ে তৈরি একটি বায়বীয় বৃত্ত। গ্যালাক্সিটিতে রয়েছে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন এরও বেশী সংখ্যক নক্ষত্র। যা আমাদের গ্যালাক্সি তুলনায় প্রায় দ্বিগুন।

তবে তাই বলে এমনটা ভাবার কোন কারণ নেই যে, এন্ড্রোমিডার আয়তন ও ভর গ্যালাক্সির চেয়ে বেশি। কারণ, এন্ড্রোমিডায় ছায়াপথের চেয়ে কৃষ্ণ পদার্থের (black matter) পরিমাণ কম।

এন্ড্রোমিডার সৌর ভর ৭.১×১০^১১, যা ছায়াপথের ৮০%। প্রতিটি গ্রহের যেমন উপগ্রহ থাকে, তেমনি গ্যালাক্সির থাকে উপ-গ্যালাক্সি বা স্যাটেলাইট গ্যালাক্সি।এন্ড্রোমিডারও কিছু উপ-গ্যালাক্সি আছে। যেমন- M-30, M-33, M-110 ইত্যাদি।
M-33 বা মেসিয়ার-৩৩ এর অপর নাম ট্রায়াঙ্গুলাম উপ-গ্যালাক্সি। ধারণা করা হয় ট্রায়াঙ্গুলাম উপ-গ্যালাক্সি একসময় একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ গ্যালাক্সি ছিল।

আনুমানিক ১০০ মিলিয়ন বছর আগে এন্ড্রোমিডার সাথে এর সংঘর্ষ হয় এবং গ্যালাক্সিটির সিংহভাগ অপসৃত হয়। অর্থাৎ যুদ্ধে পরাজিত হয়ে পরাধীন জীবন যাপন করতে হচ্ছে তাকে। এই গ্যালাক্সিটি সর্বপ্রথম আবিস্কার করেছিলেন পারস্যের এক মুসলমান জ্যোতির্বিদ আব্দুর রহমান আল-সুফী। ৯৬৪ সালে তিনি গ্যালাক্সিটি পর্যবেক্ষণ করেন। কিন্তু সেইসময়ে গ্যালাক্সি সম্পর্কে মানুষের ধারণা না থাকায় তিনি তার “Book of Fixed Stars” গ্রন্থে এর নাম দেন ‘Small Cloud’ বা ‘ক্ষুদ্র মেঘ’।

বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকেও বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল যে, মিল্কিওয়ে মহাবিশ্বের পরিধি শেষ। তারা এন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সিকে তখন নীহারিকা হিসেবে ধরে নিয়েছিল। কিন্তু এডউইন হাবলের সম্প্রসারণ তত্ত্ব পাওয়ার পর মানুষ বুঝতে পারে যে, ছায়াপথ মহাবিশ্বের ক্ষুদ্র একটা অংশ মাত্র। এন্ড্রোমিডাকে মেসিয়ার-৩১ নামকরণ করেন বিজ্ঞানী “চার্লস মেসিয়ার” ১৭৬৪ সালে।
তবে তিনি এর আবিস্কারের কৃতিত্ব দিতে চেয়েছিল জার্মান জ্যোতির্বিদ সাইমন মারিয়াসকে। যদিও তার চেষ্টা সফল হয়নি। বিজ্ঞানীরা আব্দুর রহমান আল-সুফীকেই মেসিয়ার থার্টিওয়ান আবিস্কারের কৃতিত্ব দিয়েছিল।

এন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সির ছবি সর্বপ্রথম তুলেছিলেন আইজ্যাক রবার্ট, ১৮৮৭ সালে। একটু আগেই বলেছি যে ট্রায়াঙ্গুলামের সাথে এন্ড্রোমিডার সংঘর্ষ হয়েছিল। বিভিন্ন গ্যালাক্সির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা মহাজগতে খুবই স্বাভাবিক একটি ঘটনা। এখন কি আপনার মনে প্রশ্ন জাগছে, এন্ড্রোমিডা আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির সাথে সংঘর্ষে জড়াবে কিনা?
উত্তরটা হল হ্যাঁ, অবশ্যই জড়াবে। এন্ড্রোমিডা ব্যপক প্রস্তুতি নিয়ে আমাদের দিকে নিয়ে ছুটে আসছে ।
তার গতি প্রতি সেকেন্ডে ১০০-১৪০ কিঃমিঃ। এই গতিতে চলতে থাকলে সে ১.৯৬ থেকে ২.৭৪ বিলিয়ন বছর সময় নেবে আমাদের কাছে এসে পৌঁছাতে।
Space.com এর তথ্যানুসারে সময় লাগবে ৫ বিলিয়ন বছর। প্রথম আঘাতটা হানবে উপ-গ্যালাক্সি ট্রায়াঙ্গুলাম। তবে এটা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। কারণ, ৫ বিলিয়ন বছর পর সূর্য নিজেই একটা বিশাল দৈত্যাকার অগ্নিপিন্ডে পরিণত হয়ে সৌরজগতের গ্রহগুলোকে গিলে নেবে।

Leave a Reply

বাংলায় হযরত শাহজালাল (রহঃ)’র আগমন ও সিলেট বিজয়!